
ইন্জিনিয়ার নওশের আলি
স্কারবরোর বাসিন্দা ছিলেন মোর্শেদুর রহমান মামুন। তাদের পরিবারের একমাত্র ছেলে আহনাফ আবরার মোরশেদ (ওয়ামিক)। যে ছেলেটি গত রবিবার,৫ ই এপ্রিল মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মারা গেছেন (ইন্না….., রাজেউন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ঝড় বইছে।
মাত্র ২১ বছর বয়সের একজন টগবগে তরুণের এমন অকাল মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের -ও বেদনার কমিনিটির সবাই ভিষন ভাবে মর্মাহত!
স্কারবরো বাংলাদেশী কমিউনিটির মাঝে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একমাত্র সন্তান হারানো বাবা মায়ের কষ্টটা কত গভীর সেটা ভাবতেই বুকটা ভারি হয়ে আসছে।
অথচ ড্যানফোর্থ এবং বায়িং এভিনিউয়ের যেখানে এক্সিডেন্টটা ঘটেছে সেখানে সবসময়ই মোটামুটি স্লো ট্রাফিক থাকে। তাহলে মৃত্যু কি এতই ঠুনকো!
“ওয়ামিক” এর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তার শোকাচ্ছন্ন বাবা মা ও পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি
২০২ির জন্য গভীর সমবেদনা। আল্লাহ পরিবারটিকে শোক বইবার শক্তি দিক







