সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম ও সিঁথি আক্তার নামে দুই বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদঃ ও বাংলাদেশী ৩ জন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ অবশ্যম্ভাবী!
বাংলাদেশে কোনদিন ৩ জন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিল না ।কিন্তু জানেনা বাংলাদেশি দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পুরা মিশন পদত্যাগ করা উচিত?
ভিয়েনা কনভেনশন অন কনসুলার রিলেশনস অনুযায়ী, একটি দেশের মাটিতে ভীনদেশি কোন নাগরিক যদি কোন অপরাধ করে থাকে তাহলে স্বাগতিক দেশ ‘বিনা বিলম্বে’ অভিযুক্তের নিজ দেশের দূতাবাসকে জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সৌদির শরিয়া আইন রয়েছে। বাংলাদেশে শরিয়াহ আইনে যারা পক্ষে কথা বলে – তাঁরাই শরিয়াহ আইন ভেদ করে নানা অপকর্মের লিপ্ত । কিছু আগে একজন সাতক্ষীরার নজরুল ইসলাম এম পি- এদের মাথা কাটা য়ায় না।
বাংলাদেশ ১৯৭৮ সালে এবং সৌদি আরব ১৯৮৮ সালে এই চুক্তির পক্ষভুক্ত হয়। দেখার বিষয় এখন এক ডজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়ে আমরা হাল চাষ করবো নাকি কি করবো? বাংলাদেশকে বিশ্ব এখন কোন চোখে দেখে সেটার একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ঘটনা!
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঐতিহাসিক কোনো নজির নেই। বাংলাদেশ সবসময়ই নারীর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলো।
তবে বর্তমানে পশ্চিমা শয়তান বাদীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে মোল্লা মার্কিন মিলিটারির দখলদারিত্বে নারীদের সমান নষ্ট হবার পথে,,,,,







